১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৭ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ফটিকছড়ির দাঁতমারায় পারিবারিক বিরোধের জেরে একই পরিবারের চারজন গুরুতর জখম

ডেস্ক রিপোর্ট ।।ফটিকছড়ির দাঁতমারায় পারিবারিক বিরোধের জের ধরে সৃষ্ট ঘটনায় একই পরিবারের চারজন গুরুতর জখম হয়েছে। আহতদেরকে নাজিরহাটস্থ ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কেচিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা সম্পর্কে পিতা পুত্র স্ত্রী ও খালা। তাদের সকলের অবস্থা গুরুতর বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় গ্রামবাসি সুত্র জানায়, কেচিয়া গ্রামের বাসিন্দা ইউছুফ প্রায়ই সময় নানান অজুহাতে তাঁর স্ত্রী জরিনাকে মারধর করে। ইউছুফের ছেলে পারভেজকে দোকান ঘর বেঁধে দেয়ার বিষয় নিয়ে ইউছুফ এবং তাঁর স্ত্রী জরিনার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ইউছুফ তাঁর স্ত্রী জরিনাকে মাটি কাটার কোদাল দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে জরিনার সারা শরীরে গুরুতর জখম হয়। বিষয়টি জানার পর ইউছুফের ছেলে পারভেজ বাড়ীতে এসে তার মাকে কেন মারধর করা হয়েছে তা জানতে চায়। এসময় পিতা পুত্রের মধ্যে তুমুল বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে ইউছুফ তার ছেলে পারভেজকেও কোদাল দিয়ে আঘাত করে। এসময় সেখানে উপস্থিত পারভেজের মামারা ইউছুফকে ধাওয়া করে। নিজ সন্তান এবং শ্যালকদের ধাওয়া খেয়ে ইউছুফ পার্শ্ববর্তী নুরুল ইলামের বাড়ীতে আশ্রয় নেয়। সেখানে ইউছুফের ছেলে ও তার মামারা গিয়ে ইউছুফকে মারধর করে।  এক পর্যায়ে উভয় পক্ষই ধারালো দা দিয়ে পরস্পর পরস্পরকে আঘাত করলে ইউছুফ,তার ছেলে পারভেজ, স্ত্রী জরিনা, জরিনার বোন ওলামা খাতুন গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধারর করে ফটিকছড়ি ও রামগড় হাসপাতালে প্রেরন করেন। স্থানীয়রা জানান, ইউছুফ ব্যক্তিগত জীবনে উছৃংল প্রকৃতির হওয়ায় গ্রামের কারো সাথে তাঁর সুসম্পর্ক নাই।

এ বিষয়ে ভূজপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বিপুল চন্দ্র দে জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন এবং সেখানে পুলিশ পাঠিয়েছেন। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কোন পক্ষই এখনো  পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দেয়নি বলেও জানান তিনি।

ডেস্ক/জিবি/জেএম

146 Views

শেয়ার করুন:

Facebook
WhatsApp

সার্চ করুন........